আমায় ভুলতে পারবে না তুমি;
মানুষের মনুষ্যত্ব যা করায়—
আমি শুধু তাই করেছি, করতে চেয়েছি।
সত্য জানলে হয়তো নিজেকেই ভুল বুঝবে,
কিন্তু তা স্বীকার করার শক্তি তোমার থাকবে না।
আমাকে অনেক ঘৃণা করেছ,
কারণ মানুষের স্বভাবটাই এমন—
মনের মতো করে সব না পেলে,
ভালোবাসার মানুষের মাঝেই তখন খুঁজে পাওয়া যায় অজস্র খুঁত আর পশুত্ব। সেই মানুষ,
যাকে বহুবার বলেছ—
‘ভালোবাসি তোমায় প্রাণের চেয়েও বেশি’,
তাকেও ঘৃণার আগুনে পুড়িয়ে দেওয়া যায় অনায়াসে!
আসলে তুমি নিজেকেই কোনোদিন বোঝোনি;
কী পেয়ে সুখী হতে চেয়েছিলে আমায় ভালোবেসে?
এই ‘না জানা’ আর একরাশ অন্ধ অহমিকা মানুষকে শুধু ঘৃণা করতে শেখায়;
ভালোবাসার মাথায় আগুনের ফুলকি হয়ে বসে থাকে।
ভালোবাসা সহজ, কিন্তু তাকে পাওয়া তত সহজ নয়;
এ এক কঠিন সাধনা,
যাতে মানুষ ‘মানুষ’ হয়ে ওঠে।
সে শেখায়—কীভাবে জীবন সার্থক হতে পারে,
প্রিয়জনকে সুখী দেখে নিজে তৃপ্ত হওয়া—
এই সাধনাই তো মানুষকে মহৎ করে।
যদি সফল হতে পারো, তবেই দেখবে—
তোমাকেই খুশি করতে চারপাশের সবাই দাঁড়িয়ে আছে।
যে ক্ষুদ্র বাতায়ন দিয়ে আমায় দেখেছ,
তার বাইরে বেরোলেই বুঝবে—
তোমার ভালোবাসা আসলে কত শতছিন্ন!
কিন্তু সময় তো কারো জন্য বসে থাকে না,
যখন বুঝবে—তখন শুধু দুঃখই তোমাকে করবে খিন্ন। জীবনের এই ভুলের মাসুল কত নির্মম হতে পারে—
একলা হৃদয়ের প্রতিক্ষণে বুঝবে বেদনার অনুরণনে;
আমি তোমারই ছিলাম,
তুমিই রুদ্ধ করেছ দ্বার—জীবনে।

মন্তব্য করতে ক্লিক করুন