Profile Picture
লেখকের নাম -

খনা (ক্ষণা)

khona

জন্মস্থান: উত্তর চব্বিশ পরগণা জেলার বারাসাত মহকুমা

পরিচিতি: খনা জ্যোতিষশাস্ত্রে নিপুণা ও বচন রচয়িতা বিদুষী নারী। তাঁর আবির্ভাবকাল ৮০০ থেকে ১২০০ খ্রিস্টাব্দের মধ্যে অনুমান করা হয়। তাঁর ব্যক্তিগত পরিচয় কিংবদন্তিনির্ভর এবং সে ক্ষেত্রেও আবার দ্বিমত রয়েছে। একটি কিংবদন্তি অনুসারে তাঁর নিবাস ছিল পশ্চিমবঙ্গের চবিবশ পরগনা জেলার বারাসাতের দেউলি গ্রামে। পিতার নাম অনাচার্য। চন্দ্রকেতু রাজার আশ্রম চন্দ্রপুরে তিনি বহুকাল বাস করেন। অপর কিংবদন্তি অনুসারে তিনি ছিলেন সিংহলরাজের কন্যা। শুভক্ষণে জন্মলাভ করায় তাঁর নাম রাখা হয় ক্ষণা বা খনা। এদিকে বিক্রমাদিত্যের সভার প্রখ্যাত জ্যোতির্বিদ বরাহপুত্র মিহিরের জন্মের পর গণনা করে দেখেন যে, তাঁর আয়ু মাত্র এক বছর। তাই পুত্রকে তিনি একটি পাত্রে রেখে সমুদ্রের জলে ভাসিয়ে দেন। পাত্রটি ভাসতে ভাসতে সিংহল দ্বীপে পৌঁছায়। সিংহলরাজ শিশুটিকে নিয়ে লালন-পালন করেন এবং বয়ঃক্রমকালে খনার সঙ্গে তাঁর বিবাহ দেন। মিহির ও খনা উভয়েই জ্যোতিষশাস্ত্রে পারদর্শিতা অর্জন করেন। অতঃপর মিহির সস্ত্রীক জন্মভূমিতে ফিরে পিতার সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন এবং পরবর্তীতে তাঁরা একত্রে বসবাস করতে থাকেন। খনার স্বামী মিহির এক সময় বিক্রমাদিত্যের সভাসদ হন এবং পিতার ন্যায় জ্যোতিষশাস্ত্রে প্রতিপত্তি লাভ করেন। একদিন পিতা-পুত্র আকাশের তারা গণনায় সমস্যায় পড়েন। খনা এ সমস্যার সমাধান করে বিক্রমাদিত্যের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন। এতে রাজসভায় প্রতিপত্তি হারানোর ভয়ে পিতার আদেশে মিহির খনার জিহবা কেটে দেন। কিছুকাল পরে খনার মৃত্যু হয়। খনা বাংলার লোকজীবন সম্পর্কে অনেক ভবিষ্যদ্বাণী করেছেন, যা খনার বচন নামে পরিচিত। বচনগুলিতে আবহাওয়া, জ্যোতিষ, ঋতুভেদে শস্যের ক্ষয়ক্ষতি ও ফলন সম্পর্কে যে ধারণা দেওয়া হয়েছে, তার অনেকগুলিই বৈজ্ঞানিক সত্যের খুব কাছাকাছি। খনার উপদেশবাণী দীর্ঘকাল বাংলার আবহাওয়া ও কৃষিকাজের দিকদর্শন হিসেবে কাজ করেছে। সেগুলির কোনো কোনোটির গুরুত্ব আজও অম্লান।

খনা (ক্ষণা)'এর কবিতা সমূহ

এখানে প্রকাশিত কবিতার সংখ্যা: ৯৮

কবিতার শিরোনাম মন্তব্য
শোন্ রে মালী বলি তোরে
প্রকাশ - ১৫-১১-২০২৫
মুলার ভূঁই তুলা
প্রকাশ - ১৫-১১-২০২৫
কচু বনে ছড়ালে ছাই
প্রকাশ - ১৫-১১-২০২৫
ফাল্গুনে না রুলে ওল
প্রকাশ - ১৫-১১-২০২৫
নদী ধরে পুঁতলে কচু
প্রকাশ - ১৫-১১-২০২৫
পটোল বুনলে ফাল্গুনে
প্রকাশ - ১৫-১১-২০২৫
ছায়ার ওলে চুলকায় মুখ
প্রকাশ - ১৫-১১-২০২৫
উঠান ভরা লাউ শশা
প্রকাশ - ১৫-১১-২০২৫
পান পেতে শ্রাবণে
প্রকাশ - ১৫-১১-২০২৫
চাল ভরা কুমড়া পাতা
প্রকাশ - ১৫-১১-২০২৫
বাঁশ বনে বুনলে আলু
প্রকাশ - ১৫-১১-২০২৫
যে বার গুটিকাপাত সাগর-তীরেতে
প্রকাশ - ১৫-১১-২০২৫
মাছের জলে লাউ বাড়ে
প্রকাশ - ১৫-১১-২০২৫
খাটে খাটায় লাভের গতি
প্রকাশ - ১৫-১১-২০২৫
বুধ রাজা
প্রকাশ - ১৫-১১-২০২৫
সরষে ঘন
প্রকাশ - ১৫-১১-২০২৫
কোদালে মান তিলে হাল
প্রকাশ - ১৫-১১-২০২৫
বৈশাখের প্রথম জলে
প্রকাশ - ১৫-১১-২০২৫
মানুষ মরে যাতে
প্রকাশ - ১৫-১১-২০২৫
আউশের ভূঁই বেলে
প্রকাশ - ১৫-১১-২০২৫
দিনে রোদ রাত জল
প্রকাশ - ১৫-১১-২০২৫
থাকে যদি টাকা করবে গো
প্রকাশ - ১৫-১১-২০২৫
সাত হাতে তিন বিঘতে
প্রকাশ - ১৫-১১-২০২৫
খনা বলে
প্রকাশ - ১৫-১১-২০২৫
ফাল্গুনের আট চৈত্রের আট
প্রকাশ - ১৫-১১-২০২৫
আশ্বিনের উনিশ কার্তিকের উনিশ
প্রকাশ - ১৫-১১-২০২৫
সরিষা বুনে কলাই মুগ
প্রকাশ - ১৫-১১-২০২৫
ভাদ্রের চারি আশ্বিনের চারি
প্রকাশ - ১৫-১১-২০২৫
আউশ ধান্যের চাষ
প্রকাশ - ১৫-১১-২০২৫
আষাঢ়ের পঞ্চদিনে
প্রকাশ - ১৫-১১-২০২৫
বাঁধো আগ আলি
প্রকাশ - ১৫-১১-২০২৫
বাপ বেটাই চাই
প্রকাশ - ১৫-১১-২০২৫
শনি রাজা মঙ্গল পাত্র
প্রকাশ - ১৫-১১-২০২৫
শীষ দেখে বিশ দিন
প্রকাশ - ১৫-১১-২০২৫
অঘ্রাণে পৌটী
প্রকাশ - ১৫-১১-২০২৫
কার্তিকের জল উননা
প্রকাশ - ১৫-১১-২০২৫
এক অঘ্রাণে ধান।
প্রকাশ - ১৫-১১-২০২৫
ডেকে ডেকে খনা গান
প্রকাশ - ১৫-১১-২০২৫
আঁধার পরে চাঁদের কলা
প্রকাশ - ১৫-১১-২০২৫
কোল পাতলা ডাগর গুচ্ছি।
প্রকাশ - ১৫-১১-২০২৫
বাড়ীর কাছে ধান গা
প্রকাশ - ১৫-১১-২০২৫
থেকে বলদ না বয় হাল
প্রকাশ - ১৫-১১-২০২৫
আষাঢ়ে কাড়ান নামকে
প্রকাশ - ১৫-১১-২০২৫
পূর্ণিমা অমায় যে ধরে হাল
প্রকাশ - ১৫-১১-২০২৫
থোর তিরিশে
প্রকাশ - ১৫-১১-২০২৫
শুভক্ষণ দেখে ক’রে যাত্রা
প্রকাশ - ১৫-১১-২০২৫
ষোলো চাষে মূলা।
প্রকাশ - ১৫-১১-২০২৫
শ্রাবণের পুরো ভাদ্রের বারো
প্রকাশ - ১৫-১১-২০২৫