চোখ দুটো যেন জলে ভেজা কাচ,
তাকিয়ে থাকি তবু দেখি না ঠিক তাকে,
মাঝে মাঝে হারিয়ে যাই নিজের ভেতরেই।
হাঁটুজলের নিরীহ বিকেলগুলোতে
আমরা খেলতাম শব্দহীন খেলা,
গল্পগুলো গাছের ছায়ার মতো লম্বা হতো—
শেষ হতো না,
শুধু বদলাত রঙ।
হঠাৎ
অচেনা ঢেউয়ের গোপন ষড়যন্ত্র,
এক ঝটকায় ভেঙে দেয় ভারসাম্য—
আমি ডুবি, ভাসি, দিশেহারা জলের ভিতরে
আর ঠিক তখনই
সে, নদীর মত
আমাকে জড়িয়ে ধরে তুলে আনে শ্বাসের কাছে,
মৃদু তিরস্কার ছুঁড়ে দেয়—
“এখনও শিখলে না?”
তবু আমি মানি না—
হাঁটুজলের ভদ্রতা ছেড়ে
বুকজলের অন্ধকারে নামি,
ডুবতে চাই, ইচ্ছে করে—
নিচে, আরও নিচে।
সে এবার হাত ছাড়ে না,
টেনে নিয়ে যায় গভীরতার কেন্দ্রে—
যেখানে আলো নিজেই ডুবে যায়।
বলে—
“ডুবো,
যদি পারো শেষ পর্যন্ত।”
তারপর—
সব শব্দ নিঃশেষ,
কোনো দিশা নেই, কোনো উদ্ধার নেই,
শুধু এক অদৃশ্য সাইরেন বাজে
ভেতরের কোনো অচেনা শহরে।
………….. …………..

মন্তব্য করতে ক্লিক করুন