ভালোবাসা ঠিক তাই –
যা আমি অনুভব করি
যেমন তোমার চোখ
অথচ কত গভীর নিঃশব্দ!
যেন হারানোর কথা বলে
পরম যত্নে আগলে রাখা
তার স্মৃতি আর অনুভুতি
যেন কতদিন আমায় দেখনি তুমি
অথচ প্রতিদিন থাক তুমি আমার ঘরে
যে দু হাত তোমায় আগলে রাখে
তাকে জিজ্ঞেস করো
সে তোমায় কখনোই কি ছাড়বে
আমার মন হলো সে
যে সবচেয়ে কম বোঝে
যতদিন যাচ্ছে ততই তোমাকে চাচ্ছে
হারিয়ে গেছে অতীতের সমস্ত স্মৃতি
যা তোমাতেই ঘিরে রেখেছে
তুমি ছাড়া যেন এখন সবকিছু শূন্য মরুভূমি
গোটা জীবন কেটেছে বিষন্নতার একাকিত্বে
আর অবহেলায়
তুমিই একমাত্র যে আগলে রেখেছ
জীবনে সব হয়েছে সুখ ছাড়া
তুমি আমার সে সুখের পায়রা
যতবার জন্মাবো শুধু তোমারই হবো
তোমার কাজল চোখেও সে কথাই কবো
তুমি হবে ধ্রুবতারা
আর আমি পথহারা
গহীন অন্ধকারে হারিয়ে যাব
তোমার বিশ্বাসে
একরাশ শূন্যতা আর অপ্রাপ্তির রেখায়
তুমি পথ চেনাবে উজ্জ্বল আলোয়
তুমি আমার সেই ভালোবাসা
যা মুখে বলে প্রকাশ করতে হয় না
অথচ অন্তর সুমদ্রের বিশালতায়
তুমি বারবার অভিমান ভেঙে ফির
অনেক অচেনা লাগে তোমায়
অথচ আমি জানি
আমাকে ছাড়া তুমি ভালো নেই
হেমন্তের পাতার মতো তুমি ঝরে পড়
নিথর দেহ আর আত্মা
হয়ত বিশাল সমুদ্র মন্থনে বেরিয়ে পড়
যেখানে বসে আমি ধ্যান করি
তুমি কাচের চুড়ির মত
কখনোই আমাকে ভেঙে ফেল না
কিংবা হাতের মেহেদীর মত মুছে ফেল না
প্রেমিকার চোখের কাজলে যে কৃত্রিমতা থাকে
সেখানে তুমি অনন্যা
স্ত্রী সে তো অনন্যা
যে কখনোই ঠকায় না
নিজেই ঠকেছে বারবার
যে জানে না পথ হারাবার
অন্ধ লোকে জানে
একটা লাঠির কি গুরুত্ব
তুমি সেই অন্ধের লাঠির মত
আমায় পথ চিনিয়েছো
আমি অচেতন পাথর হয়ে পড়ে ছিলাম
তুমি সে পাথরের ভাষা দিয়েছো
যেখানে শিলালিপিতে খোদাই করা আছে
অমর প্রেমের কবিতা
অথচ কোনদিন কেউ জানতে চায় নি
তুমি কেমন আছো

মন্তব্য করতে ক্লিক করুন