হাসান আজিজুল হক
(ঔপন্যাসিক, ছোট-গল্পকার ও প্রাবন্ধিক)
শংকর ব্রহ্ম
বাংলাদেশের একজন বিশিষ্ট ঔপন্যাসিক ও অন্যতম ছোট গল্পকার হলেন হাসান আজিজুল হক। তিনি বাংলা ভাষার একজন প্রধান কথাসাহিত্যিক।
এই কথাসাহিত্যিক (ষাটের দশকে) সুঠাম গদ্য এবং মর্মস্পর্শী নতুন বর্ণনাভঙ্গির আকর্ষণ নিয়ে লেখা শুরু করেন। জীবন সংগ্রামে লিপ্ত মানুষের কথকতা তাঁর গল্প-উপন্যাসের অন্যতম বিষয় হয়ে ওঠে। তাঁর অনেক গল্প রচিত রাঢ়বঙ্গের পটভূমিকায়। তিনি একজন অসামান্য গদ্যশিল্পী।
১৯৩৯ সালের ২রা ফেব্রুয়ারি বর্তমান ভারতের পশ্চিমবঙ্গের বর্ধমান জেলার যবগ্রামে এক সম্ভ্রান্ত এবং একান্নবর্তী পরিবারে হাসান আজিজুল হকের জন্ম হয়। স্কুল সার্টিফিকেট অনুসারে তাঁর জন্মতারিখ ২রা ফেব্রুয়ারি হলেও আত্মস্মৃতি 'ফিরে যাই ফিরে আসি'তে তিনি লিখেছেন তাঁর জন্ম হওয়া সম্ভব ৩রা সেপ্টেম্বর ১৯৩৯ সালে।
তাঁর পিতা মোহাম্মদ দোয়া বখশ্ এবং মাতা জোহরা খাতুন। জীবনের অধিকাংশ সময় তিনি রাজশাহীতে কাটিয়েছেন।
তিনি ১৯৫৪ সালে যবগ্রাম মহারানী কাশীশ্বরী উচ্চ ইংরেজি বিদ্যালয় থেকে স্কুল ফাইনাল পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হন। ১৯৫৬ সালে খুলনার শহরের অদূরে দৌলতপুরের ব্রজলাল কলেজ থেকে উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হন।
প্রথম যৌবনেই ছাত্র রাজনীতিতে জড়িয়ে পড়েছিলেন তিনি। রাজনীতি করার কারণেই পাকিস্তানি সেনাবাহিনীর হাতে চরম নির্যাতন ভোগ করতে হয়েছে তাকে।
১৯৫৮ সালে রাজশাহী সরকারি কলেজে থেকে দর্শন-য়ে সম্মানসহ স্নাতক ডিগ্রি লাভ করেন। ১৯৬০ সালে তিনি রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি লাভ করেন। তিনি 'পি এইচ ডি' অধ্যয়নের জন্য অস্ট্রেলিয়া গিয়েছিলেন, এবং মেলবোর্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে কিছুদিন অধ্যয়ন করেছিলেন। কিন্তু বিদেশের পরিবেশ তাঁর ভালো না-লাগায় অধ্যয়ন শেষ না-করেই তিনি দেশে ফিরে আসেন।
১৯৬০ থেকে ১৯৭৩ সাল পর্যন্ত তিনি রাজশাহী সিটি কলেজ, সিরাজগঞ্জ কলেজ, খুলনা সরকারি মহিলা কলেজ এবং সরকারি ব্রজলাল কলেজে অধ্যাপনা করেছেন। ১৯৭৩ সালে তিনি রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের দর্শন বিভাগে অধ্যাপক হিসেবে যোগ দেন। এই বিশ্ববিদ্যালয়ে ২০০৪ সাল পর্যন্ত একনাগাড়ে একত্রিশ বছর অধ্যাপনা করেন। ২০০৯ সালে তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে বঙ্গবন্ধু চেয়ার পদের জন্য মনোনীত হন। তিনি নিষ্ঠার সঙ্গে সে দায়িত্ব পালন করেন। ২০১৪ সালের আগস্ট মাসে তিনি 'বাংলাদেশ প্রগতি লেখক সংঘ'-য়ের সভাপতি নির্বাচিত হন। তাঁর নিজস্ব বাসভবন ‘উজান’ রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের পূর্ব দিকে ‘বিহাস’-য়ে।
রাজশাহী কলেজে পড়ার সময় কলেজের উদ্যমী তরুণ 'মিসবাহুল আজীমে'-য়ের সম্পাদনায় প্রকাশিত ভাঁজপত্র 'চারপাতা'য় হাসানের প্রথম লেখা ছাপা হয়, লেখাটির বিষয় ছিল রাজশাহীর আমের মাহাত্ম্য। তবে সিকান্দার আবু জাফর সম্পাদিত 'সমকাল' পত্রিকায় পত্রিকায় ১৯৬০ সালে প্রথম ‘শকুন’ নামক গল্প প্রকাশের মাধ্যমে হাসান আজিজুল হক সাহিত্যমোদীদের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন। তবে কৈশোর জীবনেই তার সাহিত্যচর্চার হাতেখড়ি। তিনি যখন কাশীশ্বরী উচ্চ বিদ্যালয়ের অষ্টম শ্রেণীর ছাত্র তখন ঐ স্কুলে রাজা সৌমেন্দ্র চন্দ্র নন্দীর আগমন উপলক্ষ্যে একটি সম্বর্ধনাপত্র লেখার মধ্য দিয়ে তার লেখালেখি জীবনের শুরু। এছাড়া প্রবেশিকা পাশের পরপরই তিনি লেখেন ‘মাটি ও মানুষ’ শীর্ষক একটি উপন্যাস। যে লেখাটি তিনি নিজে প্রকাশ করেননি। সম্প্রতি চন্দন আনোয়ারের সম্পাদনায় উপন্যাসটি প্রকাশিত হয়েছে।
‘শকুন’ গল্পটি প্রকাশের আগেই ১৯৫৬ সালে নাসির উদ্দিন আহমেদ সম্পাদিত ‘মুকুল’ পত্রিকায় তার ‘মাটি ও পাহাড়’ শীর্ষক একটি গল্প প্রকাশিত হয়েছিল। এছাড়া বি এল কলেজবার্ষিকীতে তার ‘লাঠি’ শীর্ষক একটি ছোটগল্প এবং ‘সাগর পারের পাখিরা’ শীর্ষক একটি কবিতা প্রকাশের কথাও জানা যায়। এ সময় ‘পাষাণ বেদী’ নামে একটি গল্পও প্রকাশ পেয়েছিল অন্য একটি কলেজবার্ষিকীতে। সাহিত্যচর্চার প্রথম দিকে হাসান আজিজুল হক কবিতা লেখায়ও আগ্রহী হয়েছিলেন। ‘বিনতা রায় : আমি’, ‘নিরর্থক’, ‘গ্রামে এলাম’, ‘দিনাবসান’, ‘কথা থাক’, ‘রবীন্দ্রনাথ’ প্রভৃতি কবিতা তিনি ১৯৫৭ সালে লিখেছিলেন।
১৯৫৭ সালে তিনি ‘শামুক’ শীর্ষক একটি উপন্যাস রচনা করে ‘মানিক স্মৃতি উপন্যাস প্রতিযোগিতা’য় অংশগ্রহণ করেন। ‘শামুক’ উপন্যাসের আংশিক প্রকাশিত হয়েছিল রাজশাহী থেকে প্রকাশিত জিল্লুর রহমান সিদ্দিকী ও মুস্তাফা নূরউল ইসলাম সম্পাদিত 'পূর্বমেঘ' ত্রৈমাসিক পত্রিকায়। ২০১৫ সালে এই উপন্যাসিকাটি ঢাকা থেকে প্রকাশিত হয়।
১৯৬০ সালে ‘পূর্বমেঘ’ পত্রিকায় ‘একজন চরিত্রহীনের স্বপক্ষে’ গল্পটি প্রকাশিত হওয়ার পরই তিনি একজন ব্যাতিক্রমী কথাশিল্পী হিসেবে স্বীকৃতি পান। অচিরেই বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্বশীল সবগুলো পত্রিকায় তার ছোটগল্প প্রকাশিত হতে থাকে। ‘পূবালী’, ‘কালবেলা’, ‘গণসাহিত্য’, ‘ছোটগল্প’, ‘নাগরিক’, ‘পরিক্রম’, ‘কণ্ঠস্বর’, ‘পূর্বমেঘ’ প্রভৃতি পত্রিকায় তিনি নিয়মিত লিখেছেন।
১৯৬৩ সালে সুহৃদ নাজিম মাহমুদের সহযোগিতায় 'সন্দীপন গোষ্ঠী' নামে একটি সাংস্কৃতিক সংগঠনের সাথে হাসান আজিজুল হক যুক্ত হন। হাসান আজিজুল হক এ সময় সুহৃদ নাজিম মাহমুদের সাথে যুগ্মভাবে সম্পাদনা করেন ‘সন্দীপন’ শীর্ষক একটি সাহিত্য পত্রিকা। ষাটের দশকের প্রথম দিকে নাজিম মাহমুদ, মুস্তাফিজুর রহমান, জহরলাল রায়, সাধন সরকার, খালেদ রশীদ প্রমুখ সংগ্রামী কয়েকজন তরুণের চেষ্টায় গঠিত হয়েছিল 'সন্দীপন গোষ্ঠী'।
প্রথম গল্পগ্রন্থ 'সমুদ্রের স্বপ্ন শীতের অরণ্য' এর প্রথম গল্প 'শকুন' এ সুদখোর মহাজন তথা গ্রামের সমাজের তলদেশ উন্মোচিত করেছিলেন তিনি। প্রায় পঞ্চাশ বছর গল্পচর্চায় বিষয়, চরিত্র ও নির্মাণকুশলতায় হাসান আজিজুল হক উল্লেখযোগ্য অবদান রেখেছেন। এর মধ্যে রয়েছে 'শকুন', 'তৃষ্ণা', 'উত্তরবসন্তে', 'বিমর্ষ রাত্রি, প্রথম প্রহর', 'পরবাসী', 'আমৃত্যু' 'আজীবন', 'জীবন ঘষে আগুন', 'খাঁচা', 'ভূষণের একদিন', 'ফেরা', 'মন তার শঙ্খিনী', 'মাটির তলার মাটি', 'শোণিত সেতু', 'ঘরগেরস্থি', 'সরল হিংসা', 'খনন', 'সমুখে শান্তির পারাবার', 'অচিন পাখি', 'মা-মেয়ের সংসার', 'বিধবাদের কথা' 'সারা দুপুর' ও 'কেউ আসেনি'।
১৯৬০ সালে 'বৃত্তায়ন' নামের একটি উপন্যাস লিখলেও তিনি নিজেই এটির বড় সমালোচক। এই রচনাকে তিনি নিজেই উপন্যাস হিসেবে স্বীকৃতি দিতে চাননি। তবে 'আগুনপাখি' নামে একটি উপন্যাস প্রকাশিত হয় ২০০৬ সালে। উপন্যাসটি 'প্রথম আলো' বর্ষসেরা বইয়ের স্বীকৃতি লাভ করে। এই উপন্যাসের জন্য তিনি ২০০৮ সালে কলকাতা থেকে 'আনন্দ সাহিত্য পুরস্কার' পান। তার দ্বিতীয় উপন্যাস 'সাবিত্রী উপাখ্যান' ২০১৩ সালে প্রকাশিত হয়। 'শিউলি' নামে আরও একটি ছোট উপন্যাস তিনি লিখেছেন।
[হাসান আজিজুল হকের রচনাবলি]
গল্পগ্রন্থ
---------------------------
১). সমুদ্রের স্বপ্ন শীতের অরণ্য (১৯৬৪ সালে)
২). আত্মজা ও একটি করবী গাছ (১৯৬৭ সালে)
৩). জীবন ঘষে আগুন (১৯৭৩ সালে)
৪). নামহীন গোত্রহীন (১৯৭৫ সালে)
৫). পাতালে হাসপাতালে (১৯৮১ সালে)
৬). নির্বাচিত গল্প (১৯৮৭ সালে)
৭). আমরা অপেক্ষা করছি (১৯৮৮ সালে)
৮). রাঢ়বঙ্গের গল্প (১৯৯১ সালে)
৯). রোদে যাবো (১৯৯৫ সালে)
১০). হাসান আজিজুল হকের শ্রেষ্ঠগল্প (১৯৯৫ সালে)
১১). মা মেয়ের সংসার (১৯৯৭ সালে)
১২). বিধবাদের কথা ও অন্যান্য গল্প (২০০৭ সালে)
প্রবন্ধ-গ্রন্থ।
---------------------------
১). কথাসাহিত্যের কথকতা (১৯৮১ সালে)
২). চালচিত্রের খুঁটিনাটি (১৯৮৬ সালে)
৩). অপ্রকাশের ভার (১৯৮৮ সালে)
৪). সক্রেটিস (১৯৮৬ সালে)
৫). অতলের আধি (১৯৯৮ সালে)
৬). কথা লেখা কথা (২০০৩ সালে)
৭). লোকযাত্রা আধুনিক সাহিত্য (২০০৫ সালে)
৮). একাত্তর : করতলে ছিন্নমাথা (২০০৫ সালে)
৯). ছড়ানো ছিটানো (২০০৮ সালে)
১০). কে বাঁচে কে বাঁচায় (২০০৯ সালে)
১১). বাচনিক আত্মজৈবনিক (২০১১ সালে)
১২). চিন্তন-কণা (২০১৩ সালে)
১৩). রবীন্দ্রনাথ ও ভাষাভাবনা (২০১৪ সালে)
উপন্যাস
---------------------------
১). আগুনপাখি (২০০৬ সালে)
২). সাবিত্রী উপাখ্যান (২০১৩ সালে)
৩). শামুক (২০১৫ সালে)
উপন্যাসিকা
---------------------------
১). বৃত্তায়ন (১৯৯১ সালে)
২). শিউলি (২০০৬ সালে)
নাটক
---------------------------
১). চন্দর কোথায় (জর্জ শেহাদের নাটকের ভাষান্তর)
শিশুসাহিত্য
---------------------------
১). লালঘোড়া আমি (১৯৮৪ সালে প্রকাশিত কিশোর উপন্যাস)
২). ফুটবল থেকে সাবধান (১৯৯৮ সালে প্রকাশিত শিশুতোষ গল্প)
স্মৃতিকথা/আত্মজীবনীমূলক লেখা
------------------------------------------------------
১). ফিরে যাই, ফিরে আসি (১ম অংশ, ২০০৯ সালে)
২). উঁকি দিয়ে দিগন্ত (২য় অংশ, ২০১১ সালে)
৩). টান (২০১২ সালে)
৪). লন্ডনের ডায়েরি (২০১৩ সালে)
৫). এই পুরাতন আখরগুলি (৩য় অংশ, ২০১৪ সালে)
৬). 'দুয়ার হতে দূরে' (৪র্থ অংশ, ২০১৭ সালে)
৭). 'স্মৃতিকহন'(উপরে উল্লিখিত আত্মস্মৃতিমূলক চারটি গ্রন্থের সংকলন, ২০১৯ সালে)
তাঁর সম্পাদিত গ্রন্থ
---------------------------
১). গোবিন্দচন্দ্র দেব রচনাবলী (তিন খণ্ড, ১৯৭৯ সালে)
২). দুই বাংলার ভালোবাসার গল্প (যৌথ, ১৯৮৯ সালে)
৩). একুশে ফেব্রুয়ারি গল্প সংকলন (২০০০ সালে)
কুসুমে কুসুমে স্মারকচিহ্ন (অধ্যাপক মফিজউদ্দিন স্মারকগ্রন্থ)
৪). জন্ম যদি তব বঙ্গে (সারোয়ার জাহান স্মারকগ্রন্থ)
বং বাংলা বাংলাদেশ (যৌথ, সনৎকুমার সাহা সম্মাননাগ্রন্থ, ২০১২ সালে)
৫). রমেন্দ্রনাথ ঘোষ : দার্শনিক প্রবন্ধাবলি (যৌথ, ২০১৪ সালে)
তাঁর সম্পাদিত পত্রিকা
----------------------------------
এছাড়া তিনি ‘প্রকৃতি’ নামে একটি সাহিত্য ও সংস্কৃতির ত্রৈমাসিক সাহিত্যপত্রিকা সম্পাদনা করেন। এটির ১ম সংখ্যার প্রকাশকাল ১৯৯২ সালে। পত্রিকাটির চারটি সংখ্যা প্রকাশিত হয়েছিল।
তাঁর রচনাসংগ্রহ
---------------------------
হাসান আজিজুল হকের রচনাসংগ্রহ-১ (২০০১ সালে)
হাসান আজিজুল হকের রচনাসংগ্রহ-২ (২০০১ সালে)
হাসান আজিজুল হকের রচনাসংগ্রহ-৩ (২০০২ সালে)
হাসান আজিজুল হকের রচনাসংগ্রহ-৪ (২০০৩ সালে)
হাসান আজিজুল হকের রচনাসংগ্রহ-৫ (২০০৭ সালে)
হাসান আজিজুল হকের রচনাসংগ্রহ-৬ (২০১১ সালে)
তাঁর প্রাপ্ত-পুরস্কার
---------------------------
১). আদমজী সাহিত্য পুরস্কার (১৯৬৭ সালে)
২). বাংলা একাডেমি পুরস্কার (১৯৭০ সালে)
৩). তিনি একুশে পদক লাভ করেন (১৯৯৯ সালে)
৪). আসাম বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সন্মানসূচক ডি-লিট ডিগ্রি পান (২০১২ সালে)
৫). রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সন্মানসূচক ডি-লিট ডিগ্রি পান (২০১৮ সালে)
৬). স্বাধীনতা পুরস্কারে ভূষিত হন (২০১৯ সালে)
৭). “সাহিত্যরত্ন” উপাধি লাভ করেন (২০১৮ সালের সেপ্টেম্বরে মাসে) তাঁর সার্বজৈবনিক (universal) সাহিত্যচর্চার স্বীকৃতি স্বরূপ
তাছাড়া বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর আরও অনেক পুরস্কার ও সম্মানে ভূষিত হয়েছেন তিনি। তার মধ্যে রয়েছে -
৮). বাংলাদেশ লেখক শিবির পুরস্কার (১৯৭৩ সালে)
৯). অলক্ত সাহিত্য পুরস্কার (১৯৮১ সালে)
১০). আলাওল সাহিত্য পুরস্কার (১৯৮৩ সালে)
১১). অগ্রণী ব্যাংক সাহিত্য পুরস্কার (১৯৮৪ সালে)
১২). ফিলিপস সাহিত্য পুরস্কার (১৯৮৮ সালে)
১৩). কাজী মাহবুবউল্লাহ ও বেগম জেবুন্নিসা পুরস্কার (১৯৯৪ সালে)
১৪). খুলনা সাহিত্য মজলিশ সাহিত্য পদক (১৯৮৬ সালে)
২৫). রাজশাহী লেখক পরিষদ পদক (১৯৯৩ সালে)
১৬). সাতক্ষীরা সাহিত্য একাডেমী পুরস্কার (১৯৯৭ সালে)
দিবারাত্রির কাব্য সাহিত্য পুরস্কার (পশিচমবঙ্গ) (১৯৯৭ সালে)
১৭). শ্রুতি সাংস্কৃতিক একাডেমী পুরস্কার (১৯৯৯ সালে)
১৮). রাজশাহী সাহিত্য পরিষদ পুরস্কার (২০০২ সালে)
১৯). আব্দুর রউফ স্মৃতি পরিষদ সাহিত্য পুরস্কার (হবিগঞ্জ) (২০০৩ সালে)
২০). ক্রান্তি পদক (২০০৪ সালে)
২১). অমিয়ভূষণ সম্মাননা (জলপাইগুড়ি) (২০০৪ সালে)
২২). গ্রুপ ধিয়েটার ফেডারেশান সম্মাননা (২০০৬ সালে)
২৩). প্রথম আলো বর্ষসেরা বই (২০০৭ সালে)
২৪). মার্কেন্টাইল ব্যাংক পুরস্কার (২০০৭ সালে)
২৫). আনন্দ পুরস্কার (২০০৮ সালে)
২৬). হুমায়ূন আহমেদ সাহিত্য পুরস্কার (২০১৬ সালে)
২৭). সেলিম আল দীন লোকনাট্য পদক
২৮). শওকত ওসমান সাহিত্য পুরস্কার (২০১৮ সালে)
২৯).সাহিত্য রত্ন পুরস্কার (২০১৮ সালে)
৩০). সাহিত্যে স্বাধীনতা পুরস্কার (২০১৯ সালে)
হাসান আজিজুল হকের স্ত্রী শামসুন নাহার ( ১৯৫৮ সালে জন্ম -২০১৩ সালে মৃত্যু)। তাঁর তিন কন্যা ও এক পুত্র সন্তান।
হাসান আজিজুল লেখালেখিতে সক্রিয় ছিলেন ১৯৬৪ সাল থেকে - আমৃত্যু ২০২১ সাল পর্যন্ত।
দীর্ঘদিন নানা অসুস্থতায় ভোগার পর, ২০২১ সালের ১৫ নভেম্বর, হাসান আজিজুল হক তার রাজশাহীর বাসভবনে মারা যান। তাকে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগারের সামনে সমাধিস্থ করা হয়।
শংকর ব্রহ্ম জনপ্রিয় লেখাগুলো
আমি
৯৫৯ বার পঠিত
বিভ্রম - ৩.
৮৬৯ বার পঠিত
পাখি আমার পাখি
৭৩৯ বার পঠিত
ঘোড়ার ডিম
৬৯৮ বার পঠিত
জাপানি কবিতা
৬৩২ বার পঠিত
লেখকের লেখায় মন্তব্যসমূহ
কিছু অনুভূতি
হালকা করে ছুঁয়ে যায়,
কিন্তু হৃদয়...
আরো দেখুন
রিয়াজ খান-হৃদয়
🎂 আজ যাদের জন্মদিন
মুহাম্মদ জে এইচ রপ্পি
শুভ জন্মদিন! 🎈
তৌজি
শুভ জন্মদিন! 🎈
সাম্প্রতিক মন্তব্যসমূহ
মহাকালের খেয়া 📜✨
— দরবেশ আল আমিন
অজানার পানে ছ...
আরো দেখুন
দরবেশ আল আমিন
লেখক:
দরবেশ আল আমিন
পৃথিবী কবিতার মতোই সুন্দর, এবং এই সৌন্দর্য দেখার জ...
আরো দেখুন
Munsora Mim
লেখক:
মেহেদী হাসান অপু
কবিতাটি সত্যিই দারুণ। এতো এতো ইমোশন দিয়ে আবৃত। প্র...
আরো দেখুন
সায়েবা
লেখক:
রুদ্র মুহাম্মদ শহীদুল্লাহ