মা তুই আনন্দময়ী, ঘুচাস দুঃখ-বেদনা,
তবুও আমার কেন আজো আঁধার গেল না?
মা তোর সন্তান হয়ে কেন দুঃখ পাই?
আজীবন পূজি চরণ, কেন সুখ নাই?
কোন্ ভুলে পাই এতো জীবন-যন্ত্রণা,
কেন তোর সুখামৃতের পরশ পেলাম না?
আর ভয় পাব না মা, যতই দেখাস না—
রক্ত-জিহ্বা, এলোকেশী, ঘন কালো চুল;
আর ভয়ে হবে না তো কোনোদিনও ভুল।
মন্ত্র সাধিয়া, কুলকুণ্ডলিনী ভেদিয়া—
এবার ঘুচাব যত আছে কলুষ-মূল,
ছিঁড়ে দেব মায়ার বাঁধন,ভুলে সকল-কুল।
তবুও যদি গলে না তোর কঠিন পাষাণ,
ওগো মুণ্ডমালিনী, ঘুচাবো তবে তোর মান।
কেমন করে পাব তোরে, একবার বলে দে না?
জীবনটা যে হয়ে গেল শুষ্ক এক শ্মশান।
চাস কি তুই— নিজের হাতে মাথাটি কেটে,
চরণে তোর দিই আজই আত্মবলিদান? বল না…

মন্তব্য করতে ক্লিক করুন