লেখা,, চিত্ত রঞ্জন চক্রবর্তী।
মৃতার শরীরে প্রসাধনির প্রলেপ,
তাকিয়ে দেখে নিদানপুরের শবযাত্রী।
সাগর সঙ্গমে হারিয়ে যাওয়া ছেলেটি
শ্মশানে শুয়ে খুঁজে খেলার মাঠ।
অভয়ার চোখে জ্বলে প্রতিবাদের আগুন।
আঁচল দিয়ে ঢেকে দেয় ওর মা।
মৃত খুনির হিংস্র মুখে নীল মাছির বিদ্রুপ হাসি।
মঙ্গলসূত্র খুলে নেয় স্বামী সোহাগী স্ত্রীর গলার।
শিশুটি আত্মচিৎকার করে ডাকে মাকে,
মা, মা বলে,
অভিমানে দাঁত দিয়ে কামড়ে দেয় মৃতা মায়ের স্তন।
কটি পাখি আর নেড়ি কুকুর খুঁটে খায় ছিটানো খই বাতাসা।
মগডালে বসে ডাকে কাক, উড়ে যায় এক ঝাঁক অচেনা পাখি।
কীর্তনের খোল বিশ্রাম নেয় মাটিতে শুয়ে।
কেউ কাঁদে,কেউ অলস নয়নে শবের খাটিয়া ছুঁয়ে থাকে বসে।
চিতা জানে তার আগুনে খনিকেই শেষ হয়ে যাবে বিত্ত বৈভব, হিংসা হানাহানি, অভাব অভিযোগ।
তার পর কেএক জন ডুব দিয়ে জল এনে চিতা ধুয়ে দিয়ে যাবে চলে,
পিছনে তাকাবেনা আর কেউ।
এভাবেই শেষ হয় জীবনের দৃশ্য পট।

মন্তব্য করতে ক্লিক করুন